
Anita Desai (1937–)
Anita Desai এর জীবন ও কর্ম
অনিতা দেশাই ১৯৩৭ সালের ২৪ শে জুন ভারতের দিল্লি শহরের মুসুরীতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম ডি. এন মজুমদার এবং মাতার নাম টনি নাঈম। তাঁর পিতা একজন বাঙালি ব্যবসায়ী ছিলেন এবং মাতা ছিলেন জার্মান বংশোদ্ভূত।
"দি ভয়েজ বাই দি সী" নামের শিশুতোষ রচনার জন্য গার্ডিয়ান এওয়ার্ড পুরস্কার এবং ১৯৭৬ সালে "ফায়ার অন দ্যা মাউন্টেইন" উপন্যাসের জন্য ন্যাশনাল একাডেমি পুরস্কার পান।
অনিতা দেশাই এর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মগুলো নিম্নে তুলে ধরা হলো:
- Games at Twilight (গেমস অ্যাট টোয়াইলাইট)
- ১৯৬৩ সালে লন্ডন থেকে তাঁর লেখা “দ্যা পিকক” (The Peacock) উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।
- ১৯৬৫ সালে “ভয়েসেস অফ দ্যা সিটি” (Voices of the City) নামের দ্বিতীয় উপন্যাস প্রকাশিত হয়।
- ১৯৭৫ সালে “হোয়্যার স্যাল উই গো দিস সামার?" (Where Shall We Go This Summer?) প্রকাশিত হয়।
- ১৯৭৭ সালে “ফায়ার এন্ড দি মাউন্টেন"। (Fire on the Mountain)
- ১৯৮০ সালে "ক্লিয়ার লাইট অফ ডে”। (Clear Light of Day)
- ১৯৮৪ সালে প্রকাশিত হয় "ইন কাস্টডি"। (In Custody)
- ১৯৮৮ সালে “বোমগাটনার্স বম্বে”। (Baumgartner's Bombay)
- ১৯৯৫ সালে জার্নি টু ইথাকা” (Journey to Ithaca) ।
- ১৯৯৯ সালে “ফাস্টিং ফিস্টিং” (Fasting, Feasting) প্রকাশিত হয়।
গেমস এট টোয়াইলাইট এর সারাংশ
সারাংশ:
'গেমস অ্যাট টোয়াইলাইট' গল্পটি শিশু মনস্তত্ত্বভিত্তিক। রবি লুকোচুরি খেলার সময় তার প্রতিদ্বন্দ্বী রঘুকে বোকা বানিয়ে এমন কঠিন এক জায়গায় লুকাল যে রঘু সবাইকে খুঁজে বার করলেও রবিকে কোথাও খুঁজে পেল না। রবি অবশেষে নিজেই লুকানো ভাঙা আসবাবের গুদামঘর থেকে বেরিয়ে এল। বেরুতে গিয়ে তার হাঁটু ছিলে গেল। রবি ভেবেছিল তার খেলার সাথিরা তাকে এ জন্য অনেক বাহবা দেবে, কৃতিত্ব দেবে। কিন্তু দেখা গেল তার খেলার সাথিরা কেউ তাকে কোনো কৃতিত্বতো দিলই না বরং তাকে ভুলে নতুন খেলায় মেতে উঠল। রবি ভীষণ হতাশ হলো, অবহেলিত অপমানিত বোধ করল। শিশু মনের এই বেদনা বোধ, হতাশা, অপমান বোধটিই গল্পের মূল বিষয়। অনিতা দেশাই তার সংবেদনশীল পরিণত মন দিয়ে শিশু মনের বেদনা বোধটি গভীর সহানুভূতি নিয়ে চিত্রিত করেছেন। সাধারণ যে বিষয়টি কারোই নজরে পড়বার মতো কিছু মনে হয়নি, শিশু মন সচেতন অনিতা দেশাই তা অনুভব করেন শিশু মনের সমস্ত কোমলতা বোধ দিয়ে এবং তাকে চিত্রিত করেন অতি নিপুণভাবে। পরিণত বয়সের কোনো রচয়িতার হাতে শিশু মনের এমন দিকটি তুলে ধরার বিষয়টি গল্পটিকে আকর্ষণীয় করে তোলে।
Read more